তাজ সলিসিটারের প্রিন্সিপাল তাজ উদ্দিন শাহ এবং অভিজ্ঞ অভিবাসন পরামর্শদাতা এবং বিখ্যাত টিভি ব্যক্তিত্ব নাশীত রহমানের পরামর্শ। আগামী ১০ আগষ্ট থেকে ভিসা আবেদনকারীরা তাদের আয়সীমার প্রমান হিসেবে থার্ড পার্টি বা ম্পন্সর ব্যবহার করতে পারবেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইমিগ্রেশন আইনে নতুন এই পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। গত ২০ জুলাই হোম অফিস তাদের ওয়েবসাইটে ইমিগ্রেশন আইনের নতুন তথ্য আপডেট করে। স্পাউস ভিসার ক্ষেত্রে আয়ের যে সীমা ১৮,৬০০ পাউন্ড বর্তমানে প্রচলিত আছে সে নিয়মের একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।

ব্রিটেনে নন ইউরোপিয়ান নাগরিকদের বিবাহ সূত্রে নিয়ে আসতে আয় দেখাতে হত বার্ষিক ১৮,৬০০ পাউন্ড। ২০১২ সাল থেকে এনিয়ম চালু করা হলেও গত ২০ জুলাই থেকে স্পাউস ভিসার ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে হোম অফিস। কিছুটা শীতিল করে থার্ড পাটির সহযোগিতা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পূর্বে স্বামী বা স্ত্রী তাদের বার্ষিক আয় ১৮,৬০০ পাউন্ড দেখিয়ে স্পাউসের জন্য আবেদন করতে হত। প্রয়োজনীয় আয় দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় হাজার হাজার স্পাউস ভিসার আবেদন রিফিউ হয়। এনিয়ে উচ্চ আদালত পর্যন্ত যেতে হয়েছে আবেদন কারীদের। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের ফলে ইমিগ্রেশন আইনে নতুন এই পরিবর্তন নিয়ে এসেছে হোম অফিস।

গত ২০ জুলাই হোম অফিস তাদের ওয়েবসাইটে ইমিগ্রেশন আইনের পরিবর্তন করে নতুন নিদের্শনা দিয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার স্পাউস ভিসা আবেদনকারীদের মাঝে আশার সঞ্চার হলো।

আগামী ১০ আগষ্ট থেকে ভিসা আবেদনকারীরা তাদের আয়সীমার প্রমান হিসেবে থার্ড পার্টি ম্পন্সর ব্যবহার করতে পারবেন। থার্ড পার্টি ম্পন্সর হিসেবে আবেদন কারীরা তাদের নিকট আত্মীয় কাছ থেকে সহযোগিতা নিতে পারবেন। । আর স্পন্সরকে বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে প্রমান করতে হবে আবেদনকারীর।

আগের নিয়মে প্রায় ৫ হাজার আবেদন আটকে ছিল। এখন হোম অফিস এই মামলা বিবেচনা করবে।

অন্যদিকে সেসকল স্পাউসের শিশু সন্তান রয়েছে, সেক্ষেত্রে শিশুর অগ্রাধিকার দিতে বলেছে আদালত।